Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu

ব্যাগ ব্যবহারে ফ্যাশন

Fashoin with bags

এখন এমন ব্যাগ চাই, যা সাজের সঙ্গে কাজের প্রয়োজনও মেটাবে। আর টেকসই ও হবে। তাই সঙ্গী হোক লেদার বা চামড়ার ব্যাগ। ব্যাগ কেনার সময় এখন মানুষ কটা চেম্বার আছে দেখে। এমন কোনো রঙ বেছে নেয়া হয়, যাতে অফিসের পোশাকের সঙ্গে মানায়। অফিশিয়াল ব্যাগের মধ্যে তিন রঙের ব্যাগ বাজারে খুব চলে।

কালো, ডার্ক ব্রাউন এবং ট্যান কালার। তবে
ছেলেদের করপোরেট ব্যাগ আর মেয়েদের করপোরেট ব্যাগের ডিজাইন সম্পূর্ণ আলাদা হয়। তবে অফিশিয়াল ব্যাগের
ক্ষেত্রে মেয়েদের আর ছেলেদের মাপটা কাছাকাছি।
কর্মস্থলের ব্যাগের বেলায় মেয়েরা চিন্তা করে, পোশাকের সঙ্গে মিলবে কি না।
এখন ট্রেন্ড বড়সড় ব্যাগ। চওড়ায় বড় আর দৈর্ঘ্যে খাটো, সঙ্গে চওড়া স্ট্র্যাপ। এ ধরনেরই ব্যাগই বিক্রি হচ্ছে রমরমিয়ে। ভেতরে জায়গা অনেকখানি, দেখতেও সুন্দর। এমন ব্যাগ কাঁধে ঝোলালেই আলাদা মাত্রা আসে লুকে। অফিসে যদি সালোয়ার-কামিজ পরে যান, তবে সঙ্গে
নিতে পারেন ডেনিম প্রিন্টেড লেদার বা ওয়াশ লেদারে তৈরি করা রাফ লুকের কোনো ব্যাগ।
মিক্সড অ্যান্ড ম্যাচ করা লেদারের ওপর পাট, কড, সুতার কাজ বা অ্যাপ্লিকের ব্যাগগুলোতেও মানিয়ে যাবে বেশ। কামিজের সঙ্গে ভালো মানিয়ে যায় লেদারের টোটি ব্যাগ। আকৃতিতে একটু বড় এই ব্যাগের হাতাটা একটু ছোট।

অফিসের ব্যাগটাকে যদি শাড়ি বা কামিজের সঙ্গে ঝুলিয়ে নিতে চান, তাহলে তো ম্যাসেঞ্জার ব্যাগের বিকল্প কিছুই হতে পারে না। কাঁধের এক পাশ দিয়ে ঝোলানো এই ব্যাগ বেশ ফ্যাশনেবল। যাদের অফিসে ওয়েস্টার্ন টাইপের পোশাকের চল আছে, তাদের জন্য স্টাইলিশ ব্যাগ হলো ন্যাপস্যাপ। বাহারি রঙের
লেদারে তৈরি করা হয় এগুলো, কোনো লক সিস্টেম থাকে না। শুধু দড়ি দিয়ে মুখটা পেঁচানো থাকে। আলাদা কোনো পকেটও থাকে না। ন্যাপস্যাপ যেহেতু একটু রাফ অ্যান্ড টাফ স্টাইলের, তাই অফিসের পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে ভিন্ন ডিজাইনের ব্যাগ নেয়া যেতে পারে।

ছেলেদের অফিশিয়াল ব্যাগগুলোতেও পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। যে ব্যাগ কাঁধে ঝুলিয়ে নেয়া যায়, সেটি প্রয়োজনে পিঠে ঝুলিয়ে নিতে পারার উপযুক্ত করে তোলার জন্য ডিজাইনাররা কাজ করছেন নানা টেকনিক্যাল বিষয় নিয়ে। কাজ হচ্ছে রঙ নিয়েও। কালো ছাড়া আর কী কী রঙের ব্যাগ অফিসে নেয়া যেতে পারে, তা নিয়ে রীতিমতো গবেষণা চলছে এখন। সবকিছুর পরেও চকলেট, ডার্ক ব্রাউন, ডেনিম প্রিন্টেড নানা লেদার, ইফেক্ট দেয়া লেদারগুলোতে (ক্রোকোডাইল, লেপার্ড, অস্ট্রিচ) তৈরি করা ব্যাগ দেখতে ব্যতিক্রমী ও আকর্ষণীয়। আকারে অবশ্য সেই তিনটি মাপেই দেখা যাচ্ছে। স্মল, মিডিয়াম, লার্জ।
ছেলেদের লেদারের ব্যাগের জিপার ছাড়াও হ্যান্ডেল এবং বেল্ট মজবুত হতে হবে। আর চেম্বার দেখে নেয়াটাই ভালো। ল্যাপটপ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেয়ার মতো চেম্বার ছাড়া ব্যাগগুলো দেখতে সুন্দর হলেও কাজের উপযোগিতা অনেক কম।

কোথায় পাবেনঃ
বিভিন্ন শপিং মল ছাড়াও দেশীয় প্রায় সব বুটিকেই ইদানীং লেদারের অফিশিয়াল ব্যাগ পাওয়া যায়। আড়ংয়ে রয়েছে অফিশিয়াল লেদার ব্যাগের কালেকশন।

দরদামঃ
টোটি ব্যাগ ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা,
মেসেঞ্জার ব্যাগ ৫০০ থেকে ৫০০০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া বিভিন্ন ডিজাইনের মেয়েদের লেদারের অফিশিয়াল ব্যাগ পাবেন বাটা, এপেক্স বে এম্পোরিয়াম, ওরিয়নসহ নানা রিটেইল শপের আউটলেটে। ছেলেদের অফিশিয়াল ব্যাগের দাম পড়বে ১৫০০ থেকে ৭৫০০ টাকার মধ্যে।

যত্ন-আত্তিঃ
অনেক দিন ব্যবহারের ফলে লেদারের ব্যাগে দাগ পড়ে বা ভাঁজ পড়ে যায়। আর দাগ পড়ে গেলে একটি পাত্রে সমপরিমাণ পানি ও ভিনেগার দিয়ে, একটি কাপড় বা স্পঞ্জ এতে চুবিয়ে হালকা হাতে রাব করুন। আস্তে আস্তে দাগ উঠে যাবে। চামড়ার জিনিস শুকাতে কখনো কৃত্রিম তাপ ব্যবহার করা ঠিক নয়। হালকা রোদে ব্যাগ রেখে দশ থেকে পনেরো মিনিট পর উঠিয়ে ফেলুন।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ এর সাথে থাকুন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন