তুলসী পাতার গুনাগুন
অনেকের বাড়িতেই তুলসী গাছ দেখা যায়। আবার ধর্মীয দৃষ্টিকোণ থেকে হিন্দুদের কাছে এই গাছের গুরুত্ব
অনেক। ওষুধি গুনাগুণের দিক থেকে বিবেচনা করলে বলা যায়, আর দশটা গাছের তুলনায় তুলসি গাছের গুনাগুন
বেশ ভিন্ন। ছোটোখাটো অনেক রোগের বেশ ভালো ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই তুলসি পাতা।
আজকে দেখে নেয়া যাক এমনই ৪টি রোগের ঔষধ হিসেবে তুলসি পাতার ব্যবহার।
জ্বরঃ
তুলসীপাতা সবথেকে বেশি যে অসুখের হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করবে তা হল জ্বর। চায়ে তুলসীপাতা সেদ্ধ
করে সেই পাণীয় যদি পান করেন, তবে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু প্রভৃতি অসুখ থেকে রক্ষা পেতে পারেন। আপনার
পরিবারের কারো জ্বর হলে তাকে তুলসীপাতা এবং দারুচিনি মেশানো ঠান্ডা চা পান করান। জ্বর সেরে
যাবে দ্রুত। মনে রাখবেন যেকোন বড় অসুখের প্রধান লক্ষণ এই জ্বর।
গলার ব্যাথাঃ
সামান্য গরম পানিতে তুলসীপাতা দিয়ে সেদ্ধ করে নিয়ে, সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে বা পানি পান
করলে আপনার গলার ব্যাথা দ্রুত সেরে যাবে। গলায় যদি ক্যান্সার হয় তাহলেও কিন্তু গলা ব্যাথ্যা করবে।
সুতরাং গলা ব্যাথ্যাকে হালকা ভাবে নিবেন না।
সর্দি ও কাশিঃ
সর্দি-কাসি প্রায় প্রত্যেকটি মৌসুমের খুব সাধারণ একটি অসুখ যা সবাইকে সমস্যা দেয়। এই সমস্যার
হাত থেকে মুক্তি পেতে গেলে তুলসীপাতা ৫ মিনিট চিবিয়ে রসটি গিলে নিন। তাহলে এই সমস্যার হাত
থেকে সহজেই সমাধান পেয়ে যাবেন।
ত্বকের সমস্যাঃ
ত্বকে ব্রণের সমস্যা সমাধানের একটি সহজ ও অন্যতম উপায় হল তুলসীপাতা। এছাড়াও নানান রকম
অ্যালার্জি ও র্যাশে কার্যকর। তুলসীপাতার পেস্ট তৈরি করে তা ত্বকে লাগালে এই সমস্যাগুলি কমে
যায়। বর্ণ থেকে কখনো কখনো পচন ধরে ত্বকে মারাত্বক ঘা হতে পারে। এবং পরে তা ক্যান্সারে পরিণত হতে পারে। তাই কোন অবস্থাতেই কোন কিছুকেই সাধারণ ভাবে দেখবেন না।
আমাদের ফেইসবুক পেইজ এর সাথে থাকুন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন