ত্বকের যত্নে করনীয় :
আজকাল ত্বকের যত্নের ব্যাপারে নারী- পুরম্নষ উভয়েই সচেতন হয়ে উঠেছেন। নানারকম ক্রিম, তেল, সাবান, ফেসওয়াশ, পাউডার ইত্যাদির বিজ্ঞাপন রেডিও, টিভি ও পত্র-পত্রিকায় সবসময়ই প্রচারিত হচ্ছে। রঙ ফর্সা করা, কালো দাগ ও ব্রণ দূর করা কোনোকিছুই যেন আজকাল আর অসম্ভব নয়। অথচ ত্বকের সৌন্দর্য বা যত্নের ব্যাপারে আমাদের ধারণা অনেকাংশেই ভুল। স্বাস্থ্য সচেতন হলে ত্বক এমনিতেই সুন্দর থাকার কথা।
আপনি যে সুস্থ আছেন সেটা আপনার চমৎকার ত্বক দেখেই বোঝা সম্ভব। সুন্দর ত্বক সুস্বাস্থ্যের লড়্গ্য। সুষম খাদ্যগ্রহণ, প্রচুর পানি ও নিয়মিত ব্যায়াম, অধূমপায়ী হওয়া এসব সুন্দর ত্বকের পূর্বশর্ত। বয়সের সাথে সাথে আপনার ত্বক কিছুটা হলেও বুড়িয়ে যাবে এটাই তো স্বাভাবিক, তাই নয়কি? আমাদের ত্বকের রঙের জন্য দায়ী মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ। মেলানিন কম থাকলে রঙ ফর্সা হয় এবং বেশি থাকলে কালো হয়। কিন্তু যাদের ত্বকে মেলানিন কম থাকে অর্থাৎ যারা ফর্সা রঙের অধিকারী তাদেরই ত্বকের নানারকম সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। ত্বকের বলি রেখা, কালো দাগ, রোদে পোড়া দাগ এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও তাদের বেশি। খাদ্যাভাসের মাধ্যমে ত্বকের লাবণ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব। ভিটামিন-এ বা বিটা ক্যারোটিন ত্বকের জন্য অত্যন্তô জরম্নরি উপাদান। রঙিন সবজি ও ফলে থাকে বিটা ক্যারোটিন। এছাড়া ব্রণের চিকিৎসায় ভিটামিন-এ সাপিস্নমেন্ট দেয়া হয়। বাকি দুইটি অ্যান্টি-অিডেন্ট অর্থাৎ ভিটামিন-সি ও ভিটামিন-ই জরম্নরি উপাদান ত্বকের জন্য। ভিটামিন-ই ত্বকের বলিরেখা দূর করে। এমনকি দীর্ঘদিন ব্যবহারে ত্বকে বলিরেখা পড়তে দেয় না। প্রতিদিন ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-ই আমাদের প্রয়োজন। রূপ-লাবণ্য ধরে রাখতে ভিটামিন-সি’র তুলনা নেই। কাঁচা সবজি ও টক ফলে পাবেন ভিটামিন-সি। প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি আমাদের প্রয়োজন। কিছু মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ত্বকের জন্য উপকারী। এর মাঝে রয়েছে সিলিকন, সেলেনিয়াম ও কপার। সিলিকন ত্বক কোষ তৈরিতে সাহায্য করে। তাই ড়্গতিগ্রস্তô ত্বকের জন্য সিলিকন প্রয়োজন। সিলিকন সবজি, খাদ্যশস্য ও সামুদ্রিক মাছে পাওয়া যায়। এছাড়া কপার ত্বকের কোলাজেন, ইলাস্টিন ও মেলানিন তৈরিতে সহায়তা করে
বলে কপারও ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয়। আর সেলেনিয়াম অ্যান্টি-অিডেন্ট হিসেবে কাজ করে রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সহায়ক। প্রতিদিন আমাদের ১০০ মাইক্রোগ্রাম সেলেনিয়াম প্রয়োজন। ভিটামিন সমৃদ্ধ অ্যান্টি- অিডেন্ট ক্রিম ব্যবহারেও ভালো ফল পাওয়া যায়। মেছতার দাগের জন্য হাইড্রোকুইননযুক্ত ক্রিম উপকারী। ব্রণের জন্য ট্রিটিনইন রেটিন-এ জেল ভালো কাজ দেয়। এছাড়া ইদানীং আলফা হাইড্রি এসিডযুক্ত ক্রিম পাওয়া যায়। এই ক্রিমের গুণাগুণ অনেক। ত্বকের মরা কোষ সরিয়ে দেয় আলফা হাইড্রঙ্।ি এতে ত্বক সতেজ হয়ে উঠে। এছাড়া রোদে পোড়া ত্বক, বলিরেখা, ব্রণ, যে কোনো সমস্যার জন্য আলফা হাইড্রি ভালো কাজ দেয়। স্বাভাবিকভাবে নানারকম ফল যেমনঅৈানারস, কমলা, আপেল, আঙ্গুর এগুলোতে আলফা হাইড্রি থাকে। ত্বকে যে কোনো ক্রিম-লোশন ব্যবহারের আগে
ডার্মাটোলোজিস্টের পরামর্শ নিলে ভালো।
আমাদের ফেইসবুক পেইজ এর সাথে থাকুন।
আজকাল ত্বকের যত্নের ব্যাপারে নারী- পুরম্নষ উভয়েই সচেতন হয়ে উঠেছেন। নানারকম ক্রিম, তেল, সাবান, ফেসওয়াশ, পাউডার ইত্যাদির বিজ্ঞাপন রেডিও, টিভি ও পত্র-পত্রিকায় সবসময়ই প্রচারিত হচ্ছে। রঙ ফর্সা করা, কালো দাগ ও ব্রণ দূর করা কোনোকিছুই যেন আজকাল আর অসম্ভব নয়। অথচ ত্বকের সৌন্দর্য বা যত্নের ব্যাপারে আমাদের ধারণা অনেকাংশেই ভুল। স্বাস্থ্য সচেতন হলে ত্বক এমনিতেই সুন্দর থাকার কথা।
আপনি যে সুস্থ আছেন সেটা আপনার চমৎকার ত্বক দেখেই বোঝা সম্ভব। সুন্দর ত্বক সুস্বাস্থ্যের লড়্গ্য। সুষম খাদ্যগ্রহণ, প্রচুর পানি ও নিয়মিত ব্যায়াম, অধূমপায়ী হওয়া এসব সুন্দর ত্বকের পূর্বশর্ত। বয়সের সাথে সাথে আপনার ত্বক কিছুটা হলেও বুড়িয়ে যাবে এটাই তো স্বাভাবিক, তাই নয়কি? আমাদের ত্বকের রঙের জন্য দায়ী মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ। মেলানিন কম থাকলে রঙ ফর্সা হয় এবং বেশি থাকলে কালো হয়। কিন্তু যাদের ত্বকে মেলানিন কম থাকে অর্থাৎ যারা ফর্সা রঙের অধিকারী তাদেরই ত্বকের নানারকম সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। ত্বকের বলি রেখা, কালো দাগ, রোদে পোড়া দাগ এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও তাদের বেশি। খাদ্যাভাসের মাধ্যমে ত্বকের লাবণ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব। ভিটামিন-এ বা বিটা ক্যারোটিন ত্বকের জন্য অত্যন্তô জরম্নরি উপাদান। রঙিন সবজি ও ফলে থাকে বিটা ক্যারোটিন। এছাড়া ব্রণের চিকিৎসায় ভিটামিন-এ সাপিস্নমেন্ট দেয়া হয়। বাকি দুইটি অ্যান্টি-অিডেন্ট অর্থাৎ ভিটামিন-সি ও ভিটামিন-ই জরম্নরি উপাদান ত্বকের জন্য। ভিটামিন-ই ত্বকের বলিরেখা দূর করে। এমনকি দীর্ঘদিন ব্যবহারে ত্বকে বলিরেখা পড়তে দেয় না। প্রতিদিন ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-ই আমাদের প্রয়োজন। রূপ-লাবণ্য ধরে রাখতে ভিটামিন-সি’র তুলনা নেই। কাঁচা সবজি ও টক ফলে পাবেন ভিটামিন-সি। প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি আমাদের প্রয়োজন। কিছু মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ত্বকের জন্য উপকারী। এর মাঝে রয়েছে সিলিকন, সেলেনিয়াম ও কপার। সিলিকন ত্বক কোষ তৈরিতে সাহায্য করে। তাই ড়্গতিগ্রস্তô ত্বকের জন্য সিলিকন প্রয়োজন। সিলিকন সবজি, খাদ্যশস্য ও সামুদ্রিক মাছে পাওয়া যায়। এছাড়া কপার ত্বকের কোলাজেন, ইলাস্টিন ও মেলানিন তৈরিতে সহায়তা করে
বলে কপারও ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয়। আর সেলেনিয়াম অ্যান্টি-অিডেন্ট হিসেবে কাজ করে রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সহায়ক। প্রতিদিন আমাদের ১০০ মাইক্রোগ্রাম সেলেনিয়াম প্রয়োজন। ভিটামিন সমৃদ্ধ অ্যান্টি- অিডেন্ট ক্রিম ব্যবহারেও ভালো ফল পাওয়া যায়। মেছতার দাগের জন্য হাইড্রোকুইননযুক্ত ক্রিম উপকারী। ব্রণের জন্য ট্রিটিনইন রেটিন-এ জেল ভালো কাজ দেয়। এছাড়া ইদানীং আলফা হাইড্রি এসিডযুক্ত ক্রিম পাওয়া যায়। এই ক্রিমের গুণাগুণ অনেক। ত্বকের মরা কোষ সরিয়ে দেয় আলফা হাইড্রঙ্।ি এতে ত্বক সতেজ হয়ে উঠে। এছাড়া রোদে পোড়া ত্বক, বলিরেখা, ব্রণ, যে কোনো সমস্যার জন্য আলফা হাইড্রি ভালো কাজ দেয়। স্বাভাবিকভাবে নানারকম ফল যেমনঅৈানারস, কমলা, আপেল, আঙ্গুর এগুলোতে আলফা হাইড্রি থাকে। ত্বকে যে কোনো ক্রিম-লোশন ব্যবহারের আগে
ডার্মাটোলোজিস্টের পরামর্শ নিলে ভালো।
আমাদের ফেইসবুক পেইজ এর সাথে থাকুন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন