আমার দাদা বাড়ি নড়াইল জেলার কাশিপুর ইউনিয়নে। সেখানের একটি প্রাচীন বট
গাছ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে গত প্রায় শত শত বছর ধরে একরকমের আতঙ্ক রয়েছে।
কথিত আছে, গৌড়ের রাজা কালীপ্রসন্ন তার মেয়ের সাথে ভালোবাসার দায়ে অনির্বাণ নামক এক ছেলেকে সেই গাছে ঝুলিয়ে হত্যা করে এবং হিন্দুরীতি অনুসরণ করে সেই লাশ না পুড়িয়ে বরং লাশটি প্রাচীন সেই গাছের নিচে ফেলে রাখা হয় শিয়াল কুকুর খাওয়ার জন্য। মানুষ নাকি চোখের সামনে দেখেছে সেই লাশ নিয়ে শিয়াল কুকুরের টানাটানি। ঘটনা শুরু হয় এর প্রায় বছর খানেক পড়ে। সেই রাস্তার আশেপাশে কোন বাড়িঘর নেই। অনেকটা ফাঁকা জায়গা।
তাই অনেক দূর থেকেও স্পষ্ট দেখা যায় বট গাছটি। কেউ কেউ সন্ধ্যার দিকে বা একটু একটু আলো থাকার সময় ঘরের পথে আসতে নিলে মাঝে মাঝেই দেখে যে ঐ গাছে একটি মানুষের দেহ ঝুলে আছে। মাঝে মাঝেই দূর থেকে দেখা যায় ঐ গাছের নিচে কেউ দাঁড়িয়ে আছে স্থির হয়ে। তার গায়ে থাকে অনির্বাণের মৃত্যুর সময় পড়া নীল শার্টটি। মানুষ সাহস করে দেখার চেষ্টাও করেছে। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করার পর কেউ যেতে সাহস পায় না। মনে হয় কিছু একটা যেন প্রবল প্রতাপে তাদের আটকে রাখে। মানুষের মন বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে।
আমি নিজেও দূর থেকে একদিন দেখেছি সেই গাছটিকে। বিরাট বড় বট গাছ। আশেপাশে ত্রি সীমানায় আসলেই কোন বাড়িঘর নেই। সেদিন তাড়া ছিল বলে অপেক্ষা করতে পারি নি। তবে ভবিষ্যতে আবার যাবো যদি দাদা বাড়ি যাওয়া হয়। আপনাদের মধ্যে কারো বাড়ি ঐদিকে থাকলে আপনারাও খোঁজ নিতে পারেন।
কথিত আছে, গৌড়ের রাজা কালীপ্রসন্ন তার মেয়ের সাথে ভালোবাসার দায়ে অনির্বাণ নামক এক ছেলেকে সেই গাছে ঝুলিয়ে হত্যা করে এবং হিন্দুরীতি অনুসরণ করে সেই লাশ না পুড়িয়ে বরং লাশটি প্রাচীন সেই গাছের নিচে ফেলে রাখা হয় শিয়াল কুকুর খাওয়ার জন্য। মানুষ নাকি চোখের সামনে দেখেছে সেই লাশ নিয়ে শিয়াল কুকুরের টানাটানি। ঘটনা শুরু হয় এর প্রায় বছর খানেক পড়ে। সেই রাস্তার আশেপাশে কোন বাড়িঘর নেই। অনেকটা ফাঁকা জায়গা।
তাই অনেক দূর থেকেও স্পষ্ট দেখা যায় বট গাছটি। কেউ কেউ সন্ধ্যার দিকে বা একটু একটু আলো থাকার সময় ঘরের পথে আসতে নিলে মাঝে মাঝেই দেখে যে ঐ গাছে একটি মানুষের দেহ ঝুলে আছে। মাঝে মাঝেই দূর থেকে দেখা যায় ঐ গাছের নিচে কেউ দাঁড়িয়ে আছে স্থির হয়ে। তার গায়ে থাকে অনির্বাণের মৃত্যুর সময় পড়া নীল শার্টটি। মানুষ সাহস করে দেখার চেষ্টাও করেছে। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করার পর কেউ যেতে সাহস পায় না। মনে হয় কিছু একটা যেন প্রবল প্রতাপে তাদের আটকে রাখে। মানুষের মন বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে।
আমি নিজেও দূর থেকে একদিন দেখেছি সেই গাছটিকে। বিরাট বড় বট গাছ। আশেপাশে ত্রি সীমানায় আসলেই কোন বাড়িঘর নেই। সেদিন তাড়া ছিল বলে অপেক্ষা করতে পারি নি। তবে ভবিষ্যতে আবার যাবো যদি দাদা বাড়ি যাওয়া হয়। আপনাদের মধ্যে কারো বাড়ি ঐদিকে থাকলে আপনারাও খোঁজ নিতে পারেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন