ডায়াবেটিসে সুগার কমে গেলে কি করবেন ?
-- ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু
হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ ও চিকিৎসা
পরিবারের কোনো সদস্যকে ভালো করে
শেখান। রেমেডিও ক্যাসেইরো
ডায়াবেটিক আক্রান্তরা বিশেষ করে যাঁরা
ইনসুলিন নেন, তাঁদের রক্তে গ্লুকোজ বা
শর্করার পরিমাণ হঠাৎ করে কমে যেতে
পারে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা চার
মিলিমোল/লিটারের কম হলে তাকে
হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে। সাধারণত
ইনসুলিন বা মুখে সেবনযোগ্য ডায়াবেটিসের
ওষুধের ডোজ বেশি হলে, খাবারে শর্করার
পরিমাণ কম হলে, অতিরিক্ত শারীরিক
পরিশ্রম করলে, সময়ের খাবার সময়ে না
খেলে বা কোনো খাবার মিস করলে
হাইপোগ্লাইসেমিয়া দেখা দিতে পারে।
সঠিক সময়ে চিকিৎসা করা গেলে এ থেকে
মুক্তি পাওয়া সহজ। তবে দেরি হয়ে গেলে
আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুও হতে পারে।
এ জন্য এর লক্ষণগুলো ডায়াবেটিস
আক্রান্তদের জানা থাকা একান্ত জরুরি।
হাইপোগ্লাইসেমিয়া শুরুর লক্ষণগুলো হলো
মাথা ঘোরা, শরীর ঘেমে যাওয়া, ক্ষুধা
লাগা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, অস্থিরতা,
মাথাব্যথা, জোরে জোরে হৃদকম্পন হওয়া।
অনেকের ঘুমের মধ্যে হাইপোগ্লাইসেমিয়া
হতে পারে। এর লক্ষণগুলো হলো ঘামে
বিছানার চাদর ভিজে যাওয়া, দুঃস্বপ্ন
দেখা, দুর্বল লাগা, অস্থিরতা। যদি শুরুতে
চিকিৎসা না করা হয় তাহলে আক্রান্ত
ব্যক্তি মাংসপেশিতে দুর্বলতা অনুভব
করেন, কথা জড়িয়ে যায়, ঘোর লাগে,
খিঁচুনি হতে পারে, অচেতন হতে পারেন।
এমনকি আক্রান্ত ব্যক্তি মারাও যেতে
পারেন।
তবে চিকিৎসা আপনার হাতে। এ
লক্ষণগুলো দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে
চার থেকে পাঁচ চা চামচ গ্লুকোজ বা চিনি
পানিতে মিশিয়ে পান করুন। এ ছাড়া এক
চামচ জেলি বা মধু অথবা অর্ধেক কাপ
ফলের জুস বা এক কাপ দুধ সঙ্গে সঙ্গে
পান করুন। ১০-১৫ মিনিট পর গ্লুকোমিটার
দিয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাপ করুন। যদি
চার মিলিমোলের কম থাকে তাহলে আবারও
চার থেকে আট চামচ গ্লুকোজ বা এক
চামচ জেলি বা মধু পান করুন। এরপর যদি
না কমে তবে আবার গ্লুকোজ খেতে
পারেন। এতেও সমস্যা না মিটলে দ্রুত
হাসপাতালে যান। অনেক সময় দেখা যায়
আক্রান্ত ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে যান। এ
ক্ষেত্রে এক মিলিলিটার গ্লুকাগন
ইনজেকশন দিতে হবে। বাসায় এ
ইনজেকশন দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকলে
রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে।
হাইপোগ্লাইসেমিয়া প্রতিরোধ করার জন্য
ইনসুলিনের ডোজ ঠিক করে নিন। ইনসুলিন
নেওয়ার ঠিক আধা ঘণ্টা পর খাবার খান।
একটি নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খান। কোনো
বেলার খাবার মিস করবেন না। খাবারে যেন
শর্করাজাতীয় খাবার কম না হয় সেদিকে
খেয়াল রাখুন।
হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে অনেকে চকলেট,
কুকিজ, বিস্কুট খান। এটা ঠিক নয়। এগুলো
থেকে দ্রুত শর্করা পাওয়া যায় না।
নিয়মিত রক্তের গ্লুকোজ পরিমাপ করুন।
নিজের সঙ্গে সব সময় শর্করা জাতীয়
খাবার রাখুন। হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ
ও চিকিৎসা পরিবারের কোনো সদস্যকে
ভালো করে শেখান।
লেখক : ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু, মেডিকেল
অফিসার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ
-- ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু
হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ ও চিকিৎসা
পরিবারের কোনো সদস্যকে ভালো করে
শেখান। রেমেডিও ক্যাসেইরো
ডায়াবেটিক আক্রান্তরা বিশেষ করে যাঁরা
ইনসুলিন নেন, তাঁদের রক্তে গ্লুকোজ বা
শর্করার পরিমাণ হঠাৎ করে কমে যেতে
পারে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা চার
মিলিমোল/লিটারের কম হলে তাকে
হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে। সাধারণত
ইনসুলিন বা মুখে সেবনযোগ্য ডায়াবেটিসের
ওষুধের ডোজ বেশি হলে, খাবারে শর্করার
পরিমাণ কম হলে, অতিরিক্ত শারীরিক
পরিশ্রম করলে, সময়ের খাবার সময়ে না
খেলে বা কোনো খাবার মিস করলে
হাইপোগ্লাইসেমিয়া দেখা দিতে পারে।
সঠিক সময়ে চিকিৎসা করা গেলে এ থেকে
মুক্তি পাওয়া সহজ। তবে দেরি হয়ে গেলে
আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুও হতে পারে।
এ জন্য এর লক্ষণগুলো ডায়াবেটিস
আক্রান্তদের জানা থাকা একান্ত জরুরি।
হাইপোগ্লাইসেমিয়া শুরুর লক্ষণগুলো হলো
মাথা ঘোরা, শরীর ঘেমে যাওয়া, ক্ষুধা
লাগা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, অস্থিরতা,
মাথাব্যথা, জোরে জোরে হৃদকম্পন হওয়া।
অনেকের ঘুমের মধ্যে হাইপোগ্লাইসেমিয়া
হতে পারে। এর লক্ষণগুলো হলো ঘামে
বিছানার চাদর ভিজে যাওয়া, দুঃস্বপ্ন
দেখা, দুর্বল লাগা, অস্থিরতা। যদি শুরুতে
চিকিৎসা না করা হয় তাহলে আক্রান্ত
ব্যক্তি মাংসপেশিতে দুর্বলতা অনুভব
করেন, কথা জড়িয়ে যায়, ঘোর লাগে,
খিঁচুনি হতে পারে, অচেতন হতে পারেন।
এমনকি আক্রান্ত ব্যক্তি মারাও যেতে
পারেন।
তবে চিকিৎসা আপনার হাতে। এ
লক্ষণগুলো দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে
চার থেকে পাঁচ চা চামচ গ্লুকোজ বা চিনি
পানিতে মিশিয়ে পান করুন। এ ছাড়া এক
চামচ জেলি বা মধু অথবা অর্ধেক কাপ
ফলের জুস বা এক কাপ দুধ সঙ্গে সঙ্গে
পান করুন। ১০-১৫ মিনিট পর গ্লুকোমিটার
দিয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাপ করুন। যদি
চার মিলিমোলের কম থাকে তাহলে আবারও
চার থেকে আট চামচ গ্লুকোজ বা এক
চামচ জেলি বা মধু পান করুন। এরপর যদি
না কমে তবে আবার গ্লুকোজ খেতে
পারেন। এতেও সমস্যা না মিটলে দ্রুত
হাসপাতালে যান। অনেক সময় দেখা যায়
আক্রান্ত ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে যান। এ
ক্ষেত্রে এক মিলিলিটার গ্লুকাগন
ইনজেকশন দিতে হবে। বাসায় এ
ইনজেকশন দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকলে
রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে।
হাইপোগ্লাইসেমিয়া প্রতিরোধ করার জন্য
ইনসুলিনের ডোজ ঠিক করে নিন। ইনসুলিন
নেওয়ার ঠিক আধা ঘণ্টা পর খাবার খান।
একটি নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খান। কোনো
বেলার খাবার মিস করবেন না। খাবারে যেন
শর্করাজাতীয় খাবার কম না হয় সেদিকে
খেয়াল রাখুন।
হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে অনেকে চকলেট,
কুকিজ, বিস্কুট খান। এটা ঠিক নয়। এগুলো
থেকে দ্রুত শর্করা পাওয়া যায় না।
নিয়মিত রক্তের গ্লুকোজ পরিমাপ করুন।
নিজের সঙ্গে সব সময় শর্করা জাতীয়
খাবার রাখুন। হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ
ও চিকিৎসা পরিবারের কোনো সদস্যকে
ভালো করে শেখান।
লেখক : ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু, মেডিকেল
অফিসার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন